দোনেৎস্কে একটি বড় ইউক্রেনীয় হামলা প্রতিহত করে ২৫০ সেনা হত্যা এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করার দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
রাশিয়ার প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি মাঠের মধ্যে সামরিক যানের ওপর ভারী গুলিবর্ষণ করা হচ্ছে।
তবে, এ ব্যাপারে কিয়েভের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি এবং রাশিয়ার দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনীয় পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষা করা হচ্ছে, তবে কিয়েভ বলেছে তারা আক্রমণ শুরুর আগাম বার্তা দেবে না।
রাশিয়ান বাহিনীর কাছ থেকে ইউক্রেনের ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য নতুন আক্রমণ শুরু হয়েছে কিনা, এই কথিত হামলা থেকে তা স্পষ্ট নয়।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউক্রেন রোববার দোনেৎস্ক অঞ্চলে ছয়টি যান্ত্রিক এবং দুটি ট্যাঙ্ক ব্যাটালিয়ন ব্যবহার করে ‘বড় আকারের আক্রমণ’ শুরু করেছে।
তাদের দাবি, ইউক্রেনীয়রা রাশিয়ান প্রতিরক্ষা ভেদ করার চেষ্টা করেছিল, যাকে কিয়েভ ফ্রন্টলাইনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে।
ইউক্রেন ২৫০ সৈন্যের পাশাপাশি ১৬টি ট্যাঙ্ক হারিয়েছে দাবি করে মস্কো বলেছে, কিয়েভ ‘তার লক্ষ্য অর্জন করতে সফল হয়নি’।
ইউক্রেন গত কয়েকমাস ধরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের পরিকল্পনা করছে। তবে তারা সৈন্যদের প্রশিক্ষণ এবং পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম গ্রহণের জন্য যতটা সম্ভব সময় চেয়েছে।
কিয়েভের কর্মকর্তারা আক্রমণ সম্পর্কে জনসাধারণকে জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন, কেননা এটি শত্রুকে সাহায্য করতে পারে।
রোববার টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলে, ‘পরিকল্পনারা নীরবতা পছন্দ করে৷ শুরুর কোনও ঘোষণা হবে না’৷
ফুটেজে দেখা গেছে, মুখোশধারী এবং সশস্ত্র সৈন্যরা তাদের ঠোঁটের ওপর আঙুল দিয়ে রেখেছে।
আরও পড়ুন: ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনার গোয়েন্দা তদন্ত চায় রেল মন্ত্রণালয়
সোমবার সকালে ইউক্রেনের স্থল বাহিনীর কমান্ডার ওলেক্সান্ডার সিরস্কি বলেছেন, সৈন্যরা বাখমুতের দিকে ‘এগিয়েছে’ এবং শহরের কাছে একটি রাশিয়ান অবস্থান ধ্বংস করেছে।
অন্যত্র, মস্কোতে সরকারের বিরোধী যোদ্ধারা বলছে তারা ইউক্রেনের সীমান্তের কাছে বেলগোরোদে কিছু রুশ সৈন্যকে আটক করেছে।
লিবার্টি অফ রাশিয়া লিজিয়ন (এফআরএল) এই দাবি করে, যারা এই ঘোষণাটিকে রাশিয়ান স্বেচ্ছাসেবক কোর (আরডিকে) এর সাথে একটি যৌথ বিবৃতি হিসাবে বর্ণনা করেছে।
একাত্তর/এসজে
