রাশিয়ার দুই শীর্ষ সামরিক নেতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পাঁচ দিন পরই বিদ্রোহী ওয়াগনার বাহিনীর প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৈঠকে প্রিগোজিন রুশ নেতার আনুগত্য স্বীকার করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই চালানোর অঙ্গীকারও করেছিলেন। সোমবার ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, বিদ্রোহের পাঁচ দিন পরে ২৯ জুন ওয়াগনার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনসহ তাঁর বাহিনীর ৩৫ কমান্ডারের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিন ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলে বৈঠক। সেখানে ওয়াগনারের কমান্ডাররা পুতিনকে বলেছেন, তারা রাশিয়ার অনুগত সেনা হিসেবেই থাকতে চায় এবং তাঁর হয়ে লড়াই চালাতে চান।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে রুশ সেনাদের হয়ে লড়াই করছে ওয়াগনার বাহিনী। কিন্তু গত ২৩ জুন আচমকাই বিদ্রোহ ঘোষণা করেন ইয়েভগেনি প্রিগোজিন।
এমনকি কয়েক হাজার ওয়াগনার যোদ্ধাকে নিয়ে তিনি মস্কো অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। দুটি শহরের নিয়ন্ত্রণও নেন। তবে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিদ্রোহে ক্ষান্ত দেন তিনি।
বড়সড় শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে রাশিয়া থেকে পালিয়ে বেলারুশে পৌঁছান প্রিগোজিন। বর্তমানে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো।
একাত্তর/এআর