জনমত জরিপে ট্রাম্প-কমলার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র দুই মাস বাকি। হোয়াইট হাউসের চেয়ারে শেষ পর্যন্ত কে বসছেন তা জানা যাবে আগামী নভেম্বরে। এ নিয়ে দুই প্রার্থী অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দিতা চলছে। মিলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। 

রাজনৈতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিক্স বলছে, গেলো আগস্ট মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত জাতীয় ভোটের গড় অনুযায়ী, কমলা হ্যারিসের প্রতি ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ মানুষের সমর্থন ছিলো। অন্যদিকে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিলো ৪৬ দশমিক ২ শতাংশের। 

এর আগে জুলাই মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রার্থীতা থেকে সরে আসার কিছুদিন আগে ট্রাম্পের পক্ষে ছিলো ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার। আর বাইডেনের পক্ষে ছিলো ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ। সে হিসেবে জনমত জরিপে ট্রাম্পকে পেছনে ফেললেন কমলা। 

জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার পর্যন্ত সাতটি প্রধান নির্বাচনী রাজ্যের ভোটের গড় অনুযায়ী ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার হ্যারিসকে সমর্থন জানিয়েছে, আর ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন রয়েছে ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটারের।

নেভাদা, উইসকনসিন, মিশিগান এবং জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে হ্যারিস সামান্য এগিয়ে আছেন। অন্যদিকে, অ্যারিজোনা ও নর্থ ক্যারোলিনায় এগিয়ে ট্রাম্প। পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যে তারা দুজনেই সমান সমান, যা হলো ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ।

এই সাতটি অঙ্গরাজ্যে উভয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য ছিলো উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে, যেখানে এই ব্যবধান হলো ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হ্যারিসের প্রচারণায় গুরুত্ব পাচ্ছে মার্কিন তরুণরা। পাশাপাশি মধ্যবিত্তকেও অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তিনি।

অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের প্রচারণায় গুরুত্ব পাচ্ছে, মেক্সিকো সীমান্ত, মুদ্রাস্ফীতি এবং অবৈধ অভিবাসননীতির মতো বিষয়গুলো। 

আগামী মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনি বিতর্কে মুখোমুখি হবেন এই দুই প্রার্থী।