ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি চীনা পণ্যে আবারো শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি চীনের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা জানিয়েছেন।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের বৈদেশিক সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করেছেন সদ্য শপথ নেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
চীন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারকে চীনা পণ্যের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করতে হয়। তারপরও চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কারণ হিসেবে ট্রাম্পের দাবি, চীন থেকে ব্যথানাশক ফেন্টানিলের রাসায়নিক উপাদান মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ করে। অতিমাত্রায় ফেন্টানিল সেবনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মারা যায়।
ট্রাম্প প্রথম মেয়াদেও চীনা পণ্যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির কারণে মঙ্গলবার এশিয়ার মুদ্রা ও শেয়ারবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দেয়।
নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, এদিন এশিয়ার মুদ্রাগুলো ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়, যদিও পুরো দিন জুড়ে লেনদেনে অস্থিরতা ছিল।
এদিকে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার দেশ বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে সমাধান খুঁজছে এবং আমদানি সম্প্রসারণে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এছাড়া মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যের ওপরও ট্রাম্প ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প । ধারণা করা হচ্ছিল, প্রথম দিনেই ট্রাম্প কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্যে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করতে পারেন,যদিও তা হয়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের বৈদেশিক সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৯০ দিনের জন্য এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতির উদ্দেশ্যগুলোর সঙ্গে একেবারে মিল না থাকলে যুক্তরাষ্ট্র কোনো বৈদেশিক সহায়তা দেবে না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।