আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক-হুমকি। এবার তার নিশানায় স্বয়ং ন্যাটোর দেশগুলো। তিনি জানিয়েছেন, ন্যাটো দেশগুলো রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ দিলে তিনি মস্কোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন। শনিবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এসব কথা জানান।
পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো সদস্যদের রুশ তেল কেনার বিষয়টি 'অবিশ্বাস্য' এবং এতে তাদের রাশিয়ার সঙ্গে দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়। তিনি আরও অভিযোগও করেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ করার জন্য ন্যাটোর প্রচেষ্টা এখনও সম্পূর্ণ নয়।
ট্রাম্প লিখেছেন, ন্যাটো দেশগুলো সম্মত হলে এবং পদক্ষেপ নিলে তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেবেন। এর আগে একাধিকবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিলেও মস্কো সেই সময়সীমা ও হুমকি উপেক্ষা করার পরও ট্রাম্প কোনো পদক্ষেপ নেননি।
তিনি রাশিয়ার তেল কেনাকে ‘চমকপ্রদ’ বলে আখ্যা দেন এবং প্রস্তাব করেন ন্যাটো যেন চীনের ওপর ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। ট্রাম্পের দাবি, এতে চীনের রাশিয়ার ওপর শক্ত নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হবে। ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বন্ধ করা এবং চীনের ওপর ভারী শুল্ক আরোপ করার বিষয়গুলো ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে বড় সহায়তা দেবে।
রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীন। এরপরই রয়েছে ভারত । তৃতীয় স্থানে তুরস্ক, যারা ন্যাটোর সদস্য। হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়াসহ আরও কিছু ন্যাটো দেশও রাশিয়া থেকে তেল কিনছে।
ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, আমি থাকলে যুদ্ধ শুরুই হতো না। এটি বাইডেন ও জেলেনেস্কির যুদ্ধ। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নাম বলেননি। ট্রাম্প ন্যাটোকে সতর্ক করে বলেছেন, আমার কথা মতো কাজ করুন, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে এবং অনেক প্রাণ বাঁচবে। না হলে শুধু সময়, শক্তি আর টাকা নষ্ট হচ্ছে।