যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত চীন সফর স্থগিত করা হয়েছে। এ সফর নিয়ে বেইজিং ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখলেও সফরের নতুন সময়সূচি নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি চীন। সফরটি নিয়ে বর্তমানে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও রহস্যময় নীরবতা বজায় রাখছে বেইজিং।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন তিনি আগামী পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে চীন সফরে যেতে পারেন। মূলত ৩১ মার্চ এই হাই-প্রোফাইল সফরটি শুরু হওয়ার কথা ছিলো।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত ও বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে এই সফর নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ছিলো। বিশেষ করে ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক শুল্ক নীতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও উসকে দিয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীন সফর নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।
তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি।
কয়েক মাস ধরে প্রস্তুতি চললেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে এই সফরসূচি ব্যাহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প জানান, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তার যুক্তরাষ্ট্রে থাকা প্রয়োজন, তাই এই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সফরটি আরও এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে।
এর আগে গত রোববার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরান কর্তৃক অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক করতে চীন সহায়তা করবে কি না, তার ওপর এই সফরের ভাগ্য নির্ভর করতে পারে। তবে একদিন পরই তিনি যুদ্ধের দোহাই দিয়ে সফর বিলম্বের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, চীন তাদের প্রচলিত কূটনৈতিক নীতির অংশ হিসেবে কোনো রাষ্ট্রীয় সফরের নির্দিষ্ট তারিখ আগেভাগে নিশ্চিত করে না। এবারও তারা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।