পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিমের খুনির ৪০ বছর জেল 

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহকে হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া তার সহকারী টাইরেস ডেভন হাসপিলকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার ম্যানহাটনের ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি আলভিন ব্র্যাগ এক বিবৃতিতে টাইরেস হাসপিলের শাস্তির কথা জানান। 

২০২০ সালে নিউইয়র্কের ফ্ল্যাটে খুন করা হয় ফাহিমকে। গত বছরের জুনে ওই হত্যাকাণ্ড এবং চার লাখ ডলার চুরির অভিযোগে টাইরেসকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। 

পাঠাও ছাড়াও নাইজেরিয়ার মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং স্টার্ট-আপ গোকাদার সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ফাহিম। 

তিনি অল্প বয়সেই কোডিংয়ের মাধ্যমে অ্যাপ বানানো শুরু করেন। স্নাতক করেছেন ওয়াল্টহ্যামের বেন্টলি ইউনিভার্সিটিতে। কলম্বিয়া ও বাংলাদেশেও রাইড শেয়ারিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ফাহিম।

দোষী সাব্যস্ত হওয়া টাইরেস প্রথমে ফাহিমের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। কিছুদিন পরই ফাহিমের ব্যবসা থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। 

আদালতে কৌশুলীরা বলেন, ফাহিম এই চুরির বিষয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে দিতে পারেন—এ আশঙ্কাতেই তাকে হত্যা করেন টাইরেস। 

ম্যানহাটনের ফ্ল্যাটে ফাহিম খুন হন ২০২০ সালের ১৩ জুলাই। সেদিন কালো স্যুট ও মাস্ক পরে তার সঙ্গে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন টাইরেস। 

এরপর ফ্ল্যাটের ভেতর ফাহিমকে হত্যা করে তার দেহ টুকরো টুকরো করেন তিনি। গোয়েন্দারা ফাহিমের মৃতদেহের পাশে একটি বৈদ্যুতিক করাত পেয়েছিলেন। পরে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিমের মাথা ও শরীরের অন্যান্য অংশ উদ্ধার করা হয়।