আবারও বন্ধ আইফেল টাওয়ার

কর্মীদের ধর্মঘটের কারণে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পর্যটন আকর্ষণ আইফেল টাওয়ার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কবে, এটি আবার দর্শকদের জন্য খুলবে, তাও পরিষ্কার না।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর বরাতে এপি বলছে, ধর্মঘটের সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে।

টাওয়ারের অপারেটর এসইটিই তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, ধর্মঘটের কারণে আইফেল টাওয়ার বন্ধ। আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

এতে দর্শকদের সতর্ক করে বলা হয়, কেউ আইফেল টাওয়ারে ভ্রমণের আগে যেনো ওয়েবসাইট চেক করে নেয়। এছাড়া যারা অনলাইনে ইতোমধ্যে টিকিট করে ফেলেছেন, তাদেরও ই-মেইল চেক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্যারিস আসা ভ্রমণকারী আমেরিকান পর্যটক মারিসা সোলিস এ বিষয়ে এপিকে বলেন, ‘আমরা কিছুটা হতাশ কিন্তু বুঝতে পারি যে মানুষ ন্যায্য মজুরি না পেলে কেমন লাগে।’

Eiffel-Tower1

আইফেল টাওয়ার সাধারণত বছরের ৩৬৫ দিনই খোলা থাকে। তবে, এবার মাত্র দুইমাসের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ হলো। গত ডিসেম্বরে ক্রিসমাস এবং নতুন বছরের ছুটির দিনে আলোচনার জন্য চাপ দিয়ে এটি বন্ধ করে দিয়েছিলো কর্মীরা।

আইফেল টাওয়ারের কর্মচারীর অধিকার নিয়ে কাজ করা সিজিটি ইউনিয়নের স্টেফান ডিউ বলেছেন, সোমবারের এই ধর্মঘট মূলত কর্মীদের বেতন বাড়ানোর দাবিতে করা হয়েছে। তাদের দাবি, যে পরিবার অর্থ টিকিট বিক্রি করে উপার্জিত হয়, সে তুলনায় বেতন বাড়েনি কর্মীদের। তাই প্যারিস পৌরসভার মালিকানাধীন এই টাওয়ারের কর্তৃপক্ষকে বার্তা দিতে চান কর্মচারীরা।

Eiffel-Tower2

ওয়েবসাইট অনুসারে, প্যারিসের সবচেয়ে বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক আইফেল টাওয়ার বছরে প্রায় ৭০ লাখ দর্শককে আকর্ষণ করে, যার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বিদেশি। করোনা মহামারি চলাকালীন জায়গাটি বন্ধ থাকা এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে এ সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পেয়েছিল। তবে ২০২২ সালে সেটি ৫৯ লাখে পৌঁছায়।

এদিকে ফ্রান্সের রাজধানী অলিম্পিক গেমসের আয়োজক হওয়ায় এই গ্রীষ্মে প্যারিসে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।