কংগ্রেসের পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী

১৮তম লোকসভায় কংগ্রেসের পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। শনিবার দলীয় সংসদ সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে এই পদে নির্বাচিত হন তিনি।

শনিবার সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে কংগ্রেসের সংসদীয় দলের বৈঠকে কংগ্রেস চেয়ারপারসন হিসেবে সোনিয়া গান্ধীর নাম ঘোষণা করেন দলটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এরপর সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস সংসদ সদস্যরা। খবর পিটিআই’র।

বিগত ১৯৯৯ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। এরপর থেকে টানা ২৫ বছর লোকসভার সংসদ সদস্য হওয়ার পর এই প্রথমবার রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে সংসদে গেছেন তিনি।

শনিবার চেয়ারপারসন হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, ‘সোনিয়া গান্ধী পুনরায় পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়া আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের।’

এদিন সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সোনিয়ার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, কে সি বেণুগোপাল, কার্তি চিদম্বরম, রাজীব শুক্লা, রণদীপ সুরজেওয়ালা, অজয় মাকেন, শশী থারুর, অধীর চৌধুরীসহ কংগ্রেসের সকল সংসদ সদস্যরা।

এদিকে, শনিবার দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করে প্রস্তাব পাস হয়েছে। বিরোধী দলনেতার পদ পেতে হলে লোকসভায় মোট আসনের ১০ শতাংশ পেতে হয়। অর্থাৎ ৫৫ জন সংসদ সদস্য প্রয়োজন পড়ে।

২০১৪ সালে এবং ২০১৯ সালে ন্যূনতম সেই সংখ্যাও জোগাড় করতে পারেনি কংগ্রেস। এবারের পরিস্থিতি অবশ্য ভিন্ন। এবার কংগ্রেসের হাতে ৯৯ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। ফলে ১০ বছর পর বিরোধী দলনেতা পাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সর্বভারতীয় দলটি।