নগরীর গণপরিবহণে সরকারের বেঁধে দেয়া ভাড়ার কোন তোয়াক্কাই করা হচ্ছে না। ২০ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৩০ টাকা, ২৫ টাকার ভাড়া ৩৫ টাকা।
আর ৩৫ টাকার দূরত্বে ভাড়া লাগছে ৪৫ টাকা। যদিও মালিকরা বলছেন, প্রতিটি বাসেই ভাড়ার তালিকা দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র উল্টো।
ভাড়ার কথা জানতে চাইলেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন পলাশ। তার এই উচ্চস্বরে কথা বলার মধ্যেই যেন অসহায়ত্ব প্রকাশ পাচ্ছে।
রাজধানীর বাসগুলোতে ভাড়া নিয়ে এমন পরিস্থিতিই চলছে। ২০ টাকা ভাড়ার দূরত্ব পাড়ি দিতে হচ্ছে ৩০ টাকায়। মঙ্গলবারও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।
রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, ক্ষিলক্ষেত, উত্তরার মত স্বল্প দূরত্বের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। যদিও সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে ২৭ শতাংশ।
মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা করা হয়েছে। মিনিবাসের ক্ষেত্রে ১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ২ টাকা ৫ পয়সা।
আরও পড়ুন: আজই রাজধানীতে দেওয়া হবে নতুন বাস ভাড়ার তালিকা
কিন্তু ঢাকায় চলা বাসগুলোতে নির্ধারিত এই হারের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ফলে যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
পরিবহণ শ্রমিকরা বলছেন, সরকারি ভাড়ার চার্ট এখনও তাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। আবার যেসব বাসে তালিকা পৌঁছেছে সেগুলো তারা লুকিয়ে রাখছে।
যদিও বাস মালিকরা বলছেন, সব বাসেই তালিকা পৌছে দেয়া হয়েছে। কোন বাসেই বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। তবে বাড়তি ভাড়া আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন পরিবহণ শ্রমিকরা।
আর এমন ইঁদুর বিড়াল খেলায় ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। দিনভর বিআরটিএ'র অভিযান চললেও সড়কে চলাচল করা বাসেরভেতরের চিত্র ছিলো উল্টো।
একাত্তর/টিএ