সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ। এরইমধ্যে প্রকল্পের কাজ ২৯ শতাংশ শেষ হয়েছে।
আগামী দুই বছরের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস শহীদ।
নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগেই বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শেষ হবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
রাজধানী ঢাকা থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আকাশ যোগাযোগ বহু গুণে বেড়ে গেলেও যাত্রী সেবার মান বাড়েনি। বাড়েনি বন্দরের আকার। ফলে বিমানবন্দরে যাত্রী ভোগান্তি বেড়েছে।
যাত্রী চাপ সামাল দেয়ার পাশাপাশি উন্নত সেবা নিশ্চিত করতেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প হতে নেয় সরকার।
এই টার্মিনাল হলে বন্দরের দৃশ্যপটই বদলে যাবে। ধরুন রেলপথে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এসে আপনি নামলেন কমলাপুর রেলস্টেশনে।
আর সেখান থেকে পাতাল রেলে খিলক্ষেত হয়ে কাওলা নেমে সুড়ঙ্গপথে চলে যাবেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে। এরপরই উড়োজাহাজের উঠার আনুষ্ঠানিকতা।
এভাবেই নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রধান বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। যেখানে যুক্ত হবে পাতাল রেল আর এক্সপ্রেসওয়ে, থাকবে একসঙ্গে ১ হাজার ৩০০ গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা।
এক লাখ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে নির্মাণ হয়েছে আগের দুটি টার্মিনাল। আর তৃতীয় টার্মিনালের জায়গা দুই লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার।
২৪ ঘন্টা কাজ চলছে সেখানে, এরই মধ্যে টার্মিনালের মূল কাঠামো মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছে। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি।
বুধবার এই প্রকল্পের কাজ দেখতে এসে সংসদের অনুমিত কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস শহীদ বলেন, এটি হবে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন টার্মিনাল।
তিনি জানান, টার্মিনালের নির্মাণ কাজ ২৯ শতাংশ শেষ হয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। সেই বছরই ওই টার্মিনাল থেকে বিমান উঠানামা করতে পারবে।
বর্তমানে শাহজালাল বিমানবন্দর বছরে ৮০ লাখ যাত্রীর সেবা দিতে পারে। তৃতীয় টার্মিনালের কাজ শেষ হলে সেটি উন্নীত হবে দুই কোটিতে।
একাত্তর/টিএ