বিশেষায়িত বিচারিক ব্যবস্থার জন্য জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে ৩০ শতাংশ সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আইন মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে এ কথা জানান তিনি।
জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে স্থায়ী সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ দেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন ৩০ ভাগ কৌঁসুলি নিয়োগ দেয়া হবে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে। আর বাকি ৭০ ভাগ রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ দেয়া হবে। এ কৌঁসুলিদের বেতন এখন ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।
তিনি জানান, কৌঁসুলিদের বেতন বাড়ানোর জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে ২৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। জেলার আয়তনভেদে এখন নতুন বেতন কাঠামো ঠিক করা হচ্ছে। বড় জেলাগুলোতে এ ধরনের কৌঁসুলিরা বেতন পাবেন ৫০ হাজার টাকা। মাঝারি জেলাগুলোতে কৌঁসুলিরা বেতন পাবেন ৪৫ হাজার টাকা এবং ছোট জেলাগুলোতে বেতন পাবেন ৪০ হাজার টাকা।
স্বাধীন প্রসিকিউশন সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা আগামী নির্বাচনের আগেই বাস্তবায়ন করা হবে কি-না, এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, 'আমরা চেষ্টা করব, এখনই করার জন্য। আমরা দেখছি। জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সাথে কথাও হয়ে গেছে'।
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ডিসিদের প্রস্তুতির নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
মন্ত্রী আরও বলেন, এখন রাজনৈতিকভাবে পিপি নিয়োগ দেয়া হয়। তবে স্বাধীনতার আগে ১৯৪৭ পর রাজনৈতিকভাবে পিপি নিয়োগ দেয়া হতো।
ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ডিসিদের বেশি করণীয় নেই। বেশি কাজ করে থাকে পুলিশ। এরইমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। যাতে মামলাগুলো সেলে যাচাই বাছাই করে ব্যবস্থা নেয়া হয়। একই সঙ্গে এ ধরনের মামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেফতার না করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
একাত্তর/এসজে