ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ঢাকা সফরে রাজনীতি আর বাণিজ্যের পাশাপাশি দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তিতে প্রাধান্য পেয়েছে অ্যানিমেশন সিনেমা, ফটোগ্রাফিসহ শিল্পের নানা মাধ্যম।
ম্যাক্রোঁর ঢাকা সফরের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের বিস্তারিত একাত্তরকে জানিয়েছেন আঁলিয়স ফ্রঁসেজ, ঢাকার পরিচালক ফ্রঁসোয়া ঘ্রোজঁ।
ছবি আর কবিতার দেশের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো শ্যামল বাংলায় এসে শিল্পের খোঁজ করবেন, তাই স্বাভাবিক। তাই তো ঢাকায় তাঁর সফরে ফরাসি সংস্কৃতি কেন্দ্র আঁলিয়স ফ্রঁসেজ, ঢাকা চেয়েছিল প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে এই বাংলার সংস্কৃতির স্বাদটুকু দিতে।
সেই পরিকল্পনাতেই শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে আরও তিন শিল্পী আশফিকা রহমান, কামরুজ্জামান স্বাধীন ও আফরোজা সারাসহ সাজিয়েছিল শিল্পের পসরা। এক ঘন্টা চল্লিশ মিনিটের সেই আয়োজনের ফলাফলই দুই দেশের প্রধানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তিতে ঠাঁই করে নেয়া সংস্কৃতি বিনিময়।
আঁলিয়স ফ্রঁসেজ, ঢাকার পরিচালক ফ্রঁসোয়া ঘ্রোজঁ জানান, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন দুই দেশের প্রধান। অনেকগুলো বিষয়ের মধ্যে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে সংস্কৃতি বিনিময়। আমরা কথা বলেছি অ্যানিমেশন সিনেমা, আলোকচিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল আর্টসহ স্টেইজ আর্ট নিয়ে।
তিনি বলেন, তাই বলতে পারি, এই চুক্তি বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর দারুণ সুযোগ। এর মধ্যেই আমরা এলিসি প্রাসাদ থেকে মেইল পেয়েছি। সেখানে আফরোজা সারার চলচ্চিত্রের বিষয়ে কাজ করার বার্তা পেয়েছি।
ম্যাঁক্রোর ঢাকা সফরে পুরো সাংস্কৃতিক আয়োজনের দায়িত্ত্ব ছিল আঁলিয়স ফ্রঁসেজ ঢাকার। পরিচালক বলছেন, তারা এমন আয়োজনে গর্বিত।
তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট খুবই খুশী হয়েছেন এমন অভ্যর্থনা পেয়ে। আমরা চেয়েছি তাকে শিল্প ও সংস্কৃতির স্বাদ দিতে। নানা মাধ্যমের ভিন্ন ভিন্ন শিল্পীকে আমরা উপস্থাপন করেছি। এরমধ্যে তরুণ অ্যানিমেশন সিনেমা নির্মাতা সারার প্রজেক্ট প্রেসিডেন্টকে দারুণ অনুপ্রাণিত করেছে।
এই সফরে বড় পরিসরে দুই দেশের সংস্কৃতি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত খুলে গেল বলে মনে করেন আঁলিয়স ফ্রঁসেজ পরিচালক।