দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে ভোটকেন্দ্র, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং ভবনের নিরাপত্তা জোরদার ও নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের সই করা চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় একটি এবং বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহীর তিন উপজেলায় চারটি ভোট কেন্দ্রে আগুন দেয়া হয়।
ফেনীতে আগুন দেয়া হয়েছে পেট্রোল ঢেলে আর রাজশাহী থেকে পেট্রোল বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন পুলিশ।
এক দশক আগে ২০১৪ সালে ভোট প্রতিহত করতে সারা দেশজুড়ে ব্যাপক নাশকতা চালায় বিএনপি-জামায়াত জোট। ভোটের দিক সকালেই ১৪৭টি আসনে বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার কারণে প্রায় ১৪০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করে দেওয়া হয়।
তখন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, ভোটকেন্দ্রে আগুন, ব্যালট পেপার পুড়িয়ে দেয়া কিংবা ছিনিয়ে নেয়ার কারণে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।
ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য স্থাপনায় মোট ৪২ হাজার ২৪টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে সে সব প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সম্পাদক বা অনুরূপ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে সভা করে বা যোগাযোগের মাধ্যমে অথবা দায়িত্ব দিয়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তাই নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত অনুসারে সব কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে চিঠিতে অনুরোধও জানানো হয়েছে।