সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহনের গতিসীমা নির্ধারণ করায় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ। আর এই উদ্যোগে সড়কে দুর্ঘটনা কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে তারা।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায় সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)–এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।
তিনি বলেন, সরকারের এই নির্দেশনার কারণে সড়কে মৃত্যু ও দুর্ঘটনার সংখ্যা কমবে। মোটরযানের গতিসীমা নির্দেশিকা রোড ক্র্যাশ ও প্রতিরোধযোগ্য অকালমৃত্যু ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সম্প্রতি মোটর ভেহিক্যাল স্পিড লিমিট গাইডলাইন-২০২৪ প্রকাশ করেছে সরকারের সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
এতে এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেট কার, বাস ও মিনিবাসের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। আর মোটরসাইকেল গতিসীমা ৬০ ও ট্রাকের ৫০ কিলোমিটার।
সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা শহরের মধ্যে মোটরসাইকেল ও ট্রাক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। অন্যান্য যানবাহনের গতিসীমা ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার।
বেঁধে দেওয়া গতিসীমা লঙ্ঘন করলে নেওয়া হবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, গতে পারে জেল ও জরিমানা।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের অনিয়ন্ত্রিত গতি প্রতিনিয়ত দেশের কর্মক্ষম তরুণসহ অনেকের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।
সড়কে যানবাহনের গতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উদাহরণ তুলে ধরেন এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। বলেন, রোড সেফটি কোয়ালিশন দীর্ঘদিন ধরেই সড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়ে আসছিলো।
গতিসীমা বাস্তবায়নে সড়কে যানবাহনের জন্য লেন নির্ধারণ করার সুপারিশ করেন ইলিয়াস কাঞ্চন।