দক্ষিণে মোবাইল সেবা পেতে ভোগান্তি

রোববার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বাংলাদেশের স্থলভাগে ৪০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় রিমাল বিদায় নিলেও রেখে গেছে বিশাল সব ক্ষতচিহ্ন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে আসার পর দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল এলাকায় দেখা দেয় বিদ্যুৎ বিভ্রাট।

এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ১০ হাজারের বেশি মোবাইল টাওয়ার বা বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) সেবা দিতে পারছে না। এর প্রভাবে দক্ষিণের জেলাগুলোর লাখ লাখ মানুষের মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এতে করে নানা ধরনের বিড়ম্বনার মুখে পড়ছেন তারা।

বরগুনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ আরও কয়েকটি জেলার মানুষ মোবাইল সেবা না পাওয়ার কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মোবাইল ফোন অপারেটর সূত্র জানায়, রোববার বিকেল থেকে কয়েকটি জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। 

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম বলেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা পোর্টেবল জেনারেটর দিয়ে কিছু টাওয়ার চালু করার চেষ্টা করছি। তবে, তিনি সতর্ক করে জানান, পোর্টেবল জেনারেটর সহজ ও টেকসই সমাধান না। কারণ, প্রতিকূল আবহাওয়ায় এসব জেনারেটরের জন্য ডিজেল সরবরাহ কঠিন হবে।

টেলিকম কোম্পানির কর্মকর্তাদের মতে, একটি বিটিএসের জন্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাটারি ব্যাকআপের সময়কাল সাধারণত চার থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত, যা বিদ্যুৎ প্রাপ্তির ওপর নির্ভর করে। স্বল্প থেকে মাঝারি সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও এই ব্যাকআপের মাধ্যমে টাওয়ার চালু থাকে।