ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে তৃতীয় ধাপের আরও তিন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার ইসি'র জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
নির্বাচন স্থগিত হওয়া উপজেলাগুলো হলো- নেত্রকোণার খালিয়াজুড়ি এবং চাঁদপুরের কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে খালিয়াজুড়ি উপজেলায় সড়ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ইভিএমের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এই তিন উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ১২০ কিলোমিটার বেগে সুন্দরবন দিয়ে উপকূলে আঘাত হানে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলাসহ কয়েকটি জেলার বিভিন্ন এলাকা। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ।
রিমালের কারণে সোমবার ১৯টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করে কমিশন।
স্থগিত হওয়া উপজেলাগুলো হলো- বাগেরহাটের শরনখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া; পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলার তজুমদ্দীন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা এবং রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি।
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ১০৯টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করে তফসিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু প্রথমে ১৯টি এবং পরে আরও তিন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় আগামীকাল ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে।
রিমাল: ১৯ উপজেলার নির্বাচন স্থগিত