সিলেটসহ বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে মানুষের প্রয়োজন এবং চাহিদা মোতাবেকই ত্রাণ যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।
রোববার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেট-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও মৌলভীবাজার-২ সংসদীয় আসনে ২৫০০ প্যাকেট শুকনা ও অন্যান্য খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আমরা তাদেরকে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি জানান, বন্যা দুর্গত এলাকায় দুর্গতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য এ পর্যন্ত ১৮ জেলায় ২১ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৫ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা, ৬৫ হাজার ৫শ’ প্যাকেট শুকনা ও অন্যান্য খাবার, গো-খাদ্য বাবদ ৪০ লাখ টাকা এবং শিশু খাদ্যের জন্য ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জেলার সংখ্যা ১৮টি, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। বন্যাদুর্গতদের আশ্রয়ের জন্য প্রায় তিন হাজার আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৪০ হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছে। বন্যার্তদের চিকিৎসার জন্য ৬১৯টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আজ আমরা আন্ত:মন্ত্রণালয় মিটিং করেছি। এখানে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় থেকে তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে কীভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে, পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। আমরা ত্রাণ কার্যক্রম স্বচ্ছতার সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে একটি মানুষও দুর্ভোগের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করবে না। মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনা করে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হবে।