ডেটলাইন ১৯ জুলাই:

নজিরবিহীন নৈরাজ্য দেশজুড়ে, কারফিউ জারি

কোটা আন্দালনকে ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নজিরবিহীন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে নাশকতাকারীরা। এদিন রাজধানীরে রামপুরা-বাড্ডায় প্রায় সারাদিন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের। উত্তরায় ছিলো দিনভর সংঘর্ষ চলে। মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় চলে ব্যাপক সংঘর্ষ। কারফিউ জারি করা হয় সারাদেশে।   

সংঘর্ষে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে দৈনিক প্রথম আলো। দৈনিক ইত্তেফাক ৪১ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে।

নরসিংদী কারাগারে নাশকতাকারীরা পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। এতে কারাগারের ভেতরে আগুন ধরে যায়। এ অবস্থায় কারাগারের শতাধিক বন্দী কারাফটক ভেঙে পালিয়ে যায়। লুট হয় কারারক্ষীদের অস্ত্র।

এদিনও রাজধানীতে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে আন্দোলনকারীরা। এদিন বিকেলে মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পুরনো কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি সরকারি ভবনে ভাঙচুর ও আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানো হয় মিরপুর ছয় নম্বরের ইনডোর স্টেডিয়ামে। ভাঙচুর চালানো হয় কাজীপাড়া ও মিরপুর ১০ নম্বরে মেট্রোরেল স্টেশনে। অনির্দিষ্টকালের জন্য মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ।

দিনভর সংঘর্ষ ও নৈরাজ্যের জেরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দেশব্যাপী কারফিউ জারি করে সরকার। একই সঙ্গে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় জন্য সেনা মোতায়েন করা হয়।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক বার্তায় জানায়, তাদের ৯ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে বিএনপি নেতা রুহুল কবীল রিজভীকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।