সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতে বলেছেন, তিনি ও সালমান এফ রহমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালতে রিমান্ড শুনানিতে এ কথা বলেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপদেষ্টা এবং গত সরকারের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ছিলেন সালমান এফ রহমান। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও ছিলেন সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি।
তার আগে ১৩ আগস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর সালমান ও আনিসুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পাঠানো হয়। এদিন বাড্ডা থানার হত্যা মামলায় আরও পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
রিমান্ড শুনানিতে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমরা দুই জনই (তিনি ও সালমান এফ রহমান) কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে ছিলাম। ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানি না। আমি নির্দোষ। আদালতের কাছে ন্যায়ের প্রার্থনা করছি।
তবে রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই রেজাউল আলম বলেন, সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক মামলার এজাহারনামীয় ৪ ও ৫ নম্বর আসামি। এছাড়া তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অন্যান্য আসামিদের উসকানি দেওয়াসহ গুলি করে লোক হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন।
এরপর রাজধানীর বাড্ডা ফুজি টাওয়ারের সামনে সুমন সিকদারকে গুলি করে হত্যা মামলায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।
এদিন সকাল সকাল সাতটার দিকে সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক এবং সাবেক এমপি সাদেক খান ও বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে আদালতে হাজির করা হয়। সাদেক ও জিয়াউলকেও পাঁচদিন করে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
আবারও রিমান্ডে সালমান-আনিসুল-জিয়াউল-সাদেক খান