প্রধান উপদেষ্টার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার। দুই রাষ্ট্রদূতই নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করে জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের সংস্কারকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান যেভাবে নিজেদের সংস্কার করেছে তার সাথে তুলনা করেছেন। তিনি আশা করছেন ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকার সমস্ত সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবেন।
সাক্ষাতে অর্থনৈতিক সহযোগীতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগ এ তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেন জাপানের রাষ্ট্রদূত।
এসময় দেশের ভঙ্গুর পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে দেশ গঠনে জাপানের আর্থিক সহযোগীতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আলোচনা হয় জাপান রাষ্ট্রদূতের সাথে।
এদিকে সাক্ষাতের শুরুতেই ব্রিটিশ হাইকমিশনার তার দেশের নতুন সরকারের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান। তিনি জানান, তার দেশ বাংলাদেশকে সবধরনের সহযোগীতা করতে আগ্রহী। রোহিঙ্গা ইস্যুতেও সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন হাইকমিশনার।
এসময় ব্রিটিশ বিনিয়োগকারিদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি মানি লন্ডারিং ইস্যুতে ব্রিটেনের সহযোগীতা চেয়েছেন। যারা টাকা পাচার করেছেন সেসব টাকা কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় সেই বিষয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সহযোগীতা চেয়েছেন ড. ইউনূস।