বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ-ভারত নতুন ব্যবস্থার প্রস্তাব ড. ইউনূসের

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মতো নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ ধারণার বিষয়টি সামনে আনেন।

বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। খবর বাসসের।

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্ধৃত করে প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশের বিজিবি ও ভারতের বিএসএফের মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হয়। এ ধরনের কোনো সহযোগিতা করা যায় কি না...যখন বন্যা পরিস্থিতি হবে, তখন বৈঠক করা যায়। আমরা এবং ভারত একই অববাহিকায় রয়েছি। এ ছাড়া আমরা একই পানি ব্যবহার করি। সে জন্য দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে এ ধরনের একটি ব্যবস্থায় কাজ করা যায় কি না।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যেহেতু বাংলাদেশ ও ভারত আন্তঃসীমান্তে অবস্থিত এবং অনেক আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে, সুতরাং এ ধরনের উদ্যোগ বন্যার মত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের জন্য সহায়ক হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ড. ইউনূস আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের অমীমাংসিত পানির হিস্যার বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূস বিমসটেক ও সার্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সার্কভুক্ত দেশের তরুণরা নিজেদের সমৃদ্ধির জন্য যেন একসঙ্গে কাজ করতে পারে আমাদের সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করে বলেন, তিনি দৃঢ়ভাবে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চান এবং উভয় দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাস করেন।