বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলবদের তালিকা হচ্ছে

কেবল কয়েকজন সেনা সদস্য নয়, সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পিছনে জিয়াউর রহমান এবং দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ।

দলটির নেতারা মনে করেন, খুনিদের মতো একদিন নেপথ্যের কুশীলবদেরও বিচার হবে। আর এ জন্য শিগগিরই কমিশন গঠনের কথা বললেন আইনমন্ত্রী।

এদিকে, মানব ইতিহাসের নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ না হওয়াকে দুর্ভাগ্যজনক বলছেন বুদ্ধিজীবীরা।

যে মানুষটি নিজের সাধ, আহ্লাদ, পরিবারের কথা ভুলে আজীবন লড়াই করলেন; এনে দিলেন স্বাধীনতা; সেই মানুষটিকেই হত্যা করে ফেলে রেখেছিলো রক্তপিপাসু খুনিরা। রাত ভোর হতেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু পরিবারের একে একে সবাইকে হত্যা করে খুনিরা।

শুধু ধানমন্ডি ৩২ নম্বর নয়, একই সময়ে আরো দুই জায়গায় হামলা চালিয়ে হত্যা করেছিলো বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের; হত্যার পর বিদেশি গণমাধ্যমে খুনিরা নিজেরাই দম্ভোক্তি করেছিলো।

জানিয়েছিলো কারা হত্যাকারী আর কারা ইন্ধনদাতা। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, জিয়াউর রহমান আর একাত্তরের পরাজিত শক্তির পরিকল্পনাতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুই

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের মদদদাতাদের চিহ্নিত করতে কমিশন গঠনের দাবি দীর্ঘ দিনের। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, করেনার প্রকোপ কমলেই কমিশনের রূপরেখা চূড়ান্ত হবে।

হত্যাকাণ্ডের পর পার হয়েছে ৪৫ বছর। কিন্তু এখনো এই নিয়ে কোনো প্রমাণ্য গ্রন্থ প্রকাশ হয়নি। একটি প্রামাণ্য ইতিহাস প্রণয়ণের তাগিদ দিলেন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। তিনি মনে করেন, এ ঘটনার প্রামাণ্য ইতিহাস আকারে প্রকাশিত হলে প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে ঘৃণিত হবে খুনি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকরা।

একাত্তর/আরএ