জ্বালানি তেলের ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমাতে তেল সরবরাহের পরিমাণ ১০ শতাংশ বৃদ্ধির নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। ফলে রেশনিংয়ের হার আগের ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। একইসঙ্গে ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।
বিপিসির নির্দেশনা সত্ত্বেও রাজধানীর পাম্পগুলোতে এর ইতিবাচক প্রভাব এখনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বুধবার (১১ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর বহু ফিলিং স্টেশনে তেলের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। যে কয়েকটি স্টেশন সচল আছে, সেখানে যানবাহনের তীব্র চাপ ও দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
তবে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য ৫ লিটার পর্যন্ত তেল সরবরাহের সুযোগ থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন পেশাজীবী ভোক্তারা।
বিপিসি জানিয়েছে, বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানির প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে প্রধান স্থাপনা (মেইন ইন্সটলেশন) থেকে সারাদেশের আঞ্চলিক ডিপোগুলোতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
সংস্থাটি আরও নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে বিশ্ববাজারে চড়া দামে তেল আমদানি করতে হলেও দেশীয় বাজারে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল আগের পুরনো দরেই বিক্রি হচ্ছে।
রেশনিংয়ের হার কমানোর ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পাম্পগুলোতে তেলের প্রাপ্যতা বাড়বে বলে আশা করছে বিপিসি। তবে সাধারণ পরিবহন মালিক ও চালকরা দ্রুততম সময়ে সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।