যত্রতত্র জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত, আইন কী বলছে?

পুকুর কিংবা মুদি দোকান। যত্রতত্র মিলছে জ্বালানি তেল। এই মজুতদারির বিরুদ্ধে অভিযানও চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। আইনে কী শাস্তি আছে মজুতদারির?

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাবেক এক মহাপরিচালক জানান, যে কোনো পণ্য মজুত করা দণ্ডনীয় অপরাধ। বিশেষ ক্ষমতা আইনেই এর সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। 

চলমান সঙ্কটের মাঝেই বিভিন্ন স্থান থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার করছে মজুত জ্বালানি তেল। ফিলিং স্টেশনের তেলের ড্রাম ভর্তি হয়ে চলে গেছে পুকুরে না হয় গোপন কোনো স্থানে। এমনকি মিলছে মুদি দোকানেও।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানান, বিভিন্ন আইনে মজুতের বিভিন্ন রকম শাস্তি আছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনগুলোর কঠোর প্রয়োগ করতে জরুরি। 

রাজধানীর মতিঝিলের রহমান ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী সাজ্জাদুর রহমান বলেন, সরকার নিয়োজিত ট্যাগ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে প্রতিদিনের বিক্রির তথ্য জনসম্মুখে প্রদর্শন করেই জ্বালানি তেল বিক্রয় করা হয়। যানবাহনগুলো তেল নিয়ে কী করছে সেটা নজরদারি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। 

দেশে সচল দুই হাজার ১৯৮টি ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হয়। ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমান বলছেন, এর সবগুলোই নিয়ম মেনে চলছে কিনা সেটা বলা যাবে না।  

সংগঠনটি আরও জানায়, নিয়ম মেনে একটি ফিলিং স্টেশন সর্বোচ্চ এক লাখ লিটার পর্যন্ত তেল সংরক্ষণ করতে পারে। এটি না করলেই অভিযুক্ত হবেন মজুতের দায়ে।