দেশের শূন্য হয়ে পড়া সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো সময়মতো সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী অক্টোবর মাসকে সামনে রেখে এই নির্বাচনী প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (৬ জুলাই) নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দুই নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ এবং আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানান।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছি। আগামী সপ্তাহ থেকে এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে ব্রিফ করা হবে। আচরণবিধির ওপর বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনে কোনো ধরনের সমন্বয় দরকার হলে তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। পাশাপাশি নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণের কাজও চলছে। বিগত জাতীয় নির্বাচনের মতো আমরা একটি ভালো ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবো। এটি এখন সময়ের দাবি।
এদিকে আরেক নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, বর্তমানে সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ খালি পড়ে আছে। নির্বাচন একটির সঙ্গে আরেকটি জড়িত, তাই দ্রুত নির্বাচন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ে সব নির্বাচন শেষ করতে ইসি সচেষ্ট রয়েছে।
নির্বাচনের ধারাবাহিকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিয়ন কাউন্সিল (পরিষদ) নির্বাচন আগে হওয়া যৌক্তিক। সিটি করপোরেশনের বিষয়গুলো একটু আলাদা, যেহেতু সেখানে বর্তমানে প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করছেন।
সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা প্রসঙ্গে এই কমিশনার জানান, নির্বাচনী এলাকার সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য শিগগিরই সরকারকে চিঠি দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করার বাধ্যবাধকতা কোনো আইনে নেই। তবে সীমানা পুনর্নির্ধারণ থেকে শুরু করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেহেতু সরকারের সঙ্গে জড়িত, তাই সরকারের সঙ্গে একটি পারস্পরিক বোঝাপড়া বজায় রেখেই আমাদের এগোতে হবে।