জলবায়ু পরিবর্তনে ভাবার চাইতেও বেশি ক্ষতির আশঙ্কা

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আগে যা ভাবা হয়েছিলো, তার চেয়ে বেশি হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অব ক্লাইমেট চেঞ্জ। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়বে বাংলাদেশের ২৫ শতাংশ মানুষ। সেই সঙ্গে বাড়বে জলবায়ু উদ্বাস্তুর সংখ্যা। তাই দ্রুত পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি। 

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি। এখনই উপকুলের ১০ শতাংশ মানুষ আছে পানির সংকটে। ২০৫০ সাল নাগাদ তা দাঁড়াবে ২৫ শতাংশে দাঁড়াবে। 

পানির উচ্চতা বাড়ার কারণে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ৯ থেকে ২১ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুতি হবে। সরিয়ে নিতে হবে দেশের এক তৃতীয়াংশ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 

কৃষি উৎপাদন ব্যহত হবে ৩১ থেকে ৪০ শতাংশ। ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অব ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইপিসিসি’র নতুন এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. কাজী খলীকুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা করছে। 

তবে এটি যথেষ্ট নয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোন কাজটি আগে করা দরকার সেটি ঠিক না হওয়ায় বাংলাদেশকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। 

এই বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে দিয়ে আরও বলেন, আগামী দশ বছরের মধ্যে গ্রিন হাউস গ্যাস নি:সরণ কমাতে না পারলে পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ। 

কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলো ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুত দিয়েও তা পরিশোধ করছেনা। তাই নিজেদের সামর্থ্যে টিকে থাকাকেই চ্যালেঞ্জ বলছেন বিশেষজ্ঞরা।