গ্যাস সংকটের চতুর্থ দিনে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, সংকট এখনও পুরোটা মেটেনি। বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের ছয়টি কূপের মধ্যে পাঁচটি উৎপাদনে ফিরলেও রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের চাপ ছিলো অনেক কম।
এতে করে সিলিন্ডারে প্রয়োজনীয় গ্যাস ঢুকাতে পারেননি যানবাহনের মালিকরা। আর সিএনজি স্টেশন মালিকরা জানান, বড় একটা সময় বন্ধ রাখার পাশাপাশি নানা সময় নানা অজুহাতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখায় লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ডে সংকটের চতুর্থ দিনে এসে গ্যাস পেয়েছেন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার আবাসিক গ্রাহকরা। তাই রোজার চতুর্থ দিন সেহরি ও ইফতার তৈরিতে গ্যাস পেয়ে খুশি রাজধানীবাসী। জানান, আগের তিন দিনের দুর্ভোগের কথাও।
তবে, রাজধানীর সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ এখনও কম। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ পরিবহন শ্রমিকদের। শুধু পরিবহন শ্রমিকরাই নন, ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ও মালিকরাও গ্যাসের চাপ নিয়ে রীতিমতো তিতিবিরক্ত।
সিএনজি স্টেশন মালিকরা জানান, করোনার দুই বছর জরুরি সেবার অংশ হিসেবে স্টেশন খোলা রেখে লোকসান গুণেতে হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে আরেক দফা ক্ষতি হয়েছে। আর এখন গ্যাসের চাপ না থাকায় ক্ষতি আরও বেড়েছে।
রোজা ও গ্রীষ্মের তাপদাহের কারণে গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে। সংকট সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে এলএনজি আমদানি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান।
বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের পাইপ লাইনে বালু আসার কারণ খতিয়ে দেখতে পেট্রোবাংলার বিশেষ দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।