পবিত্র রমজান মাস ও যানজটের কথা মাথায় রেখে এবারের বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সকল কার্যক্রম বেলা দুইটার মধ্যে শেষ করা হবে এবং একটার পরে কাউকে রমনা পার্কে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম।
রমনার বটমূলে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নির্দেশনামূলক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান। খবর বাসসের।
নববর্ষের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অনুষ্ঠান বিগত দুই বছর অতিমারী করোনার কারণে আমরা করতে পারিনি। এ বছর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সীমিত পরিসরে উদযাপন করা হবে।
নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রমনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসসি ও মঙ্গলশোভাযাত্রা কেন্দ্রিক সকল এলাকায় থাকবে সিসি ক্যামেরা।
তিনি বলেন, রমনার বটমূল ও আশপাশ এলাকায় ডিএমপির ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হচ্ছে এবং অনুষ্ঠানের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে থাকবে ডিএমপি ও সোয়াটের সমন্বিত ওয়াচ টাওয়ার, যারা সবকিছু উপর থেকে পর্যবেক্ষণ করবেন।
রমনা কেন্দ্রিক সকল রাস্তায় রোড ডাইভারশন থাকবে, থাকবে পুলিশের চেকপোস্ট। সম্মানিত নগরবাসীকে নিজেরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশকে সহায়তা করার অনুরোধ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: আইএমএফ’ই এখন শ্রীলংকাকে বাঁচাতে পারে: ড. জাহিদ হোসেন
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ইভটিজিং প্রতিরোধে সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সাধারণ মানুষের সাথে মিশে থাকবে।
মঙ্গল শোভাযাত্রায় কেউ বাইরে থেকে ঢুকতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ ঢুকতে চাইলে তাকে কঠোর পুলিশের বাধার সম্মুখীন হতে হবে। আর মঙ্গল শোভাযাত্রায় কেউ মুখোশ পরতে পারবেন না।
একাত্তর/আরএ