ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করবে মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট

ডায়াবেটিস, বিশ্বব্যাপী মানবদেহের চরম শত্রু এই রোগ। দিন দিন বাড়ছেই ডায়াবেটিসের রোগী। বাংলাদেশেই ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় সোয়া এক কোটি। শুধু দুর্বলতা বা বহুমূত্র নয় ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের প্রায় সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে ধীরে ধীরে। 

আবার এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে অন্য রোগের চিকিৎসা নেয়াটা দুষ্কর হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময় ধরে রক্তে সুগারের পরিমাণ অনিয়ন্ত্রিত থাকায় জটিলতা বাড়তে থাকে। যা কখনো কখনো মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তার মধ্যে হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ, কিডনিজনিত সমস্যা অন্যতম। 

আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ডায়াবেটিসকে, হৃদরোগের রোগের জন্য সাতটি প্রধান ঝুঁকির মধ্যে প্রধান বলে মনে করা হয়। এছাড়া প্রায় ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছেন। 

এম্পাগ্লিফ্লোজিন এবং লিনাগ্লিপটিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ওজন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কিডনি রক্ষার কাজও করে থাকে। যার ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের কিডনি সমস্যা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই হ্রাস পায়।

এম্পাগ্লিফ্লোজিন এবং লিনাগ্লিপটিনের সমন্বয় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। এর কার্যকারিতাও বিশ্বব্যাপী ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে প্রমাণিত।

সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মত এম্পাগ্লিফ্লোজিন এবং লিনাগ্লিপটিনের সমন্বয়ে নতুন ওষুধ বাজারে নিয়ে এসেছে একমি ল্যাবরেটরিজ। যার নাম দেয়া হয়েছে 'এমলিনো'। ‘ডায়াবেটিস ব্রেক থ্রু’ নামে এক আলোচনা সভায় এই ওষুধ বাজারে আনার ঘোষণা দেন তারা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ.কে আজাদ খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন বারডেম একাডেমির পরিচালক অধ্যাপক মো. ফারুক পাঠান।


একাত্তর/এসি