রাঙামাটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক পার্বত্য চট্রগ্রাম ও পাহাড়২৪ডটকমের সম্পাদক ফজলে এলাহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, পাশাপাশি আজ সকালে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে আরেক গণমাধ্যম কর্মী, ডিবিসি নিউজের সিনিয়র প্রযোজনা নির্বাহী আব্দুল বারীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পরপর এ দুটো ঘটনা আগের আরো বহু ঘটনা এবং পরিস্থিতির কারণে অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতায় থাকা গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্বেগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)।
বুধবার (৮ জুন) সংগঠনটির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক ও সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বারীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে বিজেসি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছে এবং বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এবং দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি করছে।
এতে আরো বলা হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে বিজেসি মনে করে আইনটি প্রয়োগের চেয়ে সাংবাদিকদের হয়রানিসহ অপপ্রয়োগই বেশি হচ্ছে, যে সম্পর্কে সরকার এবং প্রশাসন অবগত। মাত্র এক সপ্তাহ আগে গত ৩১ মে সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন- ‘এ আইনে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে কাউকে যেন গ্রেপ্তার না করা হয়, আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি।’
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এর আগে গত এপ্রিলে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) -আইনটি প্রয়োগে তার বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে এসব আশ্বাস বা নির্দেশনার কোনো প্রয়োগ দেখা যাচ্ছেনা।
আরও পড়ুন: অবশেষে ৮৭ ঘণ্টা পর নিভল সীতাকুণ্ডের আগুন
এতে আরো যোগ করা হয়, বিজেসি আইনটির স্বাধীন সাংবাদিকতা পরিপন্থী বলে ইতোমধ্যেই চিহ্নিত ধারাগুলো সংশোধন দাবি করছে, যা বিবেচনার আশ্বাস আইনমন্ত্রী সচিবালয়ের ওই অনুষ্ঠানে দিয়েছিলেন। বিজেসি আশা করছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং সাংবাদিকদের উদ্বেগ দূর করবেন।
একাত্তর/আরএ