ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সব এলাকা থেকে শতভাগ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একথা জানিয়েছেন। তারা আরও জানিয়েছেন, ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানির বর্জ্যও অপসারণ করা হয়েছে।
ঈদের আগের দিন উত্তরের মেয়র ১২ ঘণ্টা ও দক্ষিণের মেয়র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে কোরবানি তৃতীয় দিনে না নিতেও অনুরোধ করেন।
এসব নির্দেশনা মেনেই রোববার ঈদের দিন থেকে নগরীর সবগুলো এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেন দুই সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা।
পশুর বর্জ্য অপসারণে দুই সিটিতে প্রায় ১৯ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করছেন। এ জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচ্ছন্নকর্মীসহ সবার ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।
রোববার ঈদের নামাজ আদায় শেষে সকাল থেকে পশু কোরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। দুই সিটিতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু হয় ওইদিন দুপুর দুটায়।
এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন রাত ১০টার মধ্যে এবং দক্ষিণে রাত সোয়া একটায় শতভাগ বর্জ্য অপসারণ শেষ করা হয় বলে জানিয়েছেন সিটির কর্মকর্তারা।
ঢাকা উত্তর সিটির দশটি অঞ্চলে ঈদের দিনে ১২ লাখ ৪৭ হাজার পশু কোরবানি হয়েছে এবং প্রায় ৯ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন এবং সরাসরি তদারকি করেছেন। কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণে শনিবার রাত ১১টা থেকে রোববার রাত ১১টা পর্যন্ত এক হাজার ৭৮৩টি ট্রিপের মাধ্যমে মোট সাত হাজার ১৩৯ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ ও স্থানান্তর করা হয়েছে।
সোমবার সকালে সরেজমিনে দক্ষিণ সিটির বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির পাশে অন্যান্য সময়ের মতো আবর্জনার স্তূপ নেই। মূল সড়কের পাশেও নেই তেমন বর্জ্য।
আরও পড়ুন: বিএনপির মিথ্যাচার ও বিদ্বেষে দেশবাসী হতাশ: কাদের
একই চিত্র দেখা গেছে উত্তরের সব এলাকায়। সবগুলো প্রধান সড়ক আর অলিগলিও এখন কোরবানির বর্জ্যমুক্ত। বেশিরভাগ রাস্তা ও ড্রেনের মুখ ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ধোয়া হয়েছে।
মেয়র আতিক মিরপুর এলাকা থেকে শুরু করে আগারগাঁও, নাখালপাড়া, মগবাজার, খিলগাঁও তালতলাসহ অন্য এলাকাগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজও দেখেন।
একাত্তর/এসি