অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি আইডিয়াল

আইডিয়াল কলেজের বহিষ্কৃত অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু একমাসেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি কলেজটির পরিচালনা পষর্দ। 

এদিকে অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিনের নিয়োগের ক্ষেত্রেও মিলেছে জালিয়াতির প্রমাণ। অভিযোগ উঠেছে বহিষ্কৃত এই অধ্যক্ষ দফায় দফায় কলেজের ৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন। 

আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃপরীক্ষার নামে আদায় করা ২৮ লাখ টাকা কলেজের ব্যাংক একাউন্টে জমা না দিয়ে নিজেই নিয়ে নেন বহিস্কৃত অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন। 

এভাবে কয়েক দফায় কলেজের ৫০ লাখ টাকা নিয়েছিলেন তিনি। অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির কাছে লিখিতভাবে এই অভিযোগ জানান কলেজের হিসাবরক্ষক জহুরুল ইসলাম।

অন্যদিকে, অনলাইনে পিএইচডি জালিয়াতিসহ অনিয়ম দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে গভর্নিং বডিকে নির্দেশ দিয়েছিলো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু একমাসেও কোন ব্যবস্থা নেননি ১৪ বছর ধরে থাকা কলেজটির গভর্নিং বডির সভাপতি পদে থাকা এ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান।

একাত্তারের অনুসন্ধান বলছে, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষায় জসিম উদ্দিনসহ মোট ১৭ জন প্রাথী অংশ নেয়। লিখিত পরীক্ষায় সাত জন পাশ করলেও ফেল করেছিলেন জসিম উদ্দিন। 

পাশ করা সাত প্রার্থীর মৌখক পরীক্ষা নেয়া হলেও তাদের অযোগ্য দেখিয়ে ওই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে গভর্নিং বডি। কিছুদিন পর নেয়া দ্বিতীয় পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পান আগের বারের ফেল করা জসিম উদ্দিন। 

উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন আহমেদ, তৌফিক আজিজ ও তরুণ গাঙ্গুলী ২০১৮ সালে অনলাইন ভিত্তিক পিএইচডি কোর্সে ভর্তি হন। অথচ, বোর্ডের কাছে অনুমোদন দেন দেড় বছর পর অথ্যাৎ ২০২০ সালে।


একাত্তর/আরবিএস