আবাসিক কিংবা বাণিজ্যিক ভবন যেমনই হোক না কেন, সোলার প্যানেল না বসালে মিলবে না বিদ্যুৎ সংযোগ। এ কারণে রাজধানীর অনেক ভবনের ছাদেই এখন দেখা যাচ্ছে সৌর প্যানেল।
কিন্তু আগ্রহ ও প্রণোদনা না থাকায় বেশিরভাগ প্যানেলই এখন অব্যবহৃত থাকছে। অথচ একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিলেই ছাদের সৌর প্যানেল থেকে মিলতে পারে অতি দামী বিদ্যুৎ।
দেশে ড্যাপভুক্ত ১৫২৮ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে ছোট বড় আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ২১ লাখেরও বেশি। এরমধ্যে ৯৩ শতাংশ তিন তলা পর্যন্ত।
আর ছয় তলার ওপরে ভবন আছে প্রায় ১৮ হাজার। যা মোট ভবনের এক শতাংশেরও কম। এসব ভবনের ছাদে দেখা মিলবে নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুতের প্যানেল।
গেল ১০ বছরে বহুতল ভবনের সবগুলোতেই নিয়ম মেনে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল। কিন্তু আদৌও কি এসব প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে?
বেশিরভাগ বাড়ির মালিক জানালেন, সৌর প্যানেল বসালেও সেটা থেকে বিদ্যুতের কোন ব্যবহার নেই। কিংবা বিষয়টি সম্পর্কে একেবারেই ওয়াকিবহাল নন তারা।
রাজধানীর হাতে গোণা কিছু বড় আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে সচল আছে সোলার প্যানেল। তবে সেখানেও আছে সমস্যা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গেল ১০ বছরে ভবনের ছাদে বেড়েছে সোলার প্যানেল বসানোর হার।
কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে নিয়ম পালনের অংশ হিসাবে বসানো সোলার প্যানেলগুলোর বেশিরভাগই বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোন অবদান রাখছে না।
আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকটে নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ
শহরে কমছে খেলাধুলাসহ হাঁটা চলার জায়গা। তাই সব আবাসিক ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল বাসানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার তাগিদ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
তা না হলে দীর্ঘ মেয়াদে সৌর বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়বে না। বরং কমতে থাকবে। অথচ আগামী বিশ্বে সৌর বিদ্যুৎ জ্বালানির অন্যতম বিকল্প হয়ে উঠছে।
একাত্তর/এসজে