বেশি লাভে চাল বিক্রির অভিনব প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছেন চাল ব্যবসায়ীরা। বি. আর ২৮ ও ২৯ এবং গুটি স্বর্ণা চাল, ১ নং মিনিকেট লেখা বস্তায় ভরে বিক্রি করছিলেন মিরপুর শাহ আলী মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। ফলে গুণতে হয়েছে জরিমানা।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এ সময় বলেন, প্রতারণা করে ভোক্তা ঠকালে; কোন ব্যবসায়ীকেই ছেড়ে দেবে না তারা। প্রয়োজনে আরও কঠোর হবেন তারা।
শুক্রবার ছুটির দিকে রাজধানীর অন্যতম বড় চালের বাজার, মিরপুরের শাহ আলী মার্কেটে গিয়ে দেখা গেলো খালি বস্তাগুলোর গায়ে লেখা, আপেল ব্র্যান্ডের ১নং মিনিকেট চাল।
এই বস্তায় ভরার পরই বি. আর. ২৮ ও ২৯ হয়ে যায়, ১ নং মিনিকেট। এভাবেই ভোক্তাদের ঠকিয়ে আসছিলো মিরপুর শাহ আলী চাল বাজারের শাকিল রাইস এজেন্সি।
এর পাইকারি দোকানীর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, নিয়মিত মূল্য তালিকা হালনাগাদ করে না তারা। এসব অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা হয় প্রতিষ্ঠানটির।
তবে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান শুরুর পরপরই ঝটপট দোকান বন্ধ করে দেন এই বাজারের অন্য চাল ব্যবসায়ীরা। এদের মধ্যে মক্কা রাইস এজেন্সি শ্রমিকদের ভেতরে রেখেই লাগিয়ে দেয় কলাপসিবল গেট।
ভোক্তা অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের ফোন পেয়ে মক্কা রাইস এজেন্সি মালিক আসলেও, দেখাতে পারেননি সব চাল ক্রয়ের রশিদ। আবার মূল্য তালিকায় লেখা দামের চেয়েও কেজিতে চার টাকা বেশিতে চাল বিক্রি করায় প্রতিষ্ঠানটি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনে।
আরও পড়ুন: টয়লেট্রিজ পণ্যের দাম বেড়ে দ্বিগুণ, হতাশ ক্রেতারা
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শরীফুল ইসলাম বলেন, ভোক্তা অধিকার ক্ষুণ্ণ করে পার পাবে না কেও।
তবে, ভোক্তাদের দাবী ছোট ছোট চাল ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি মিলারদেরও সাজা দেয়া উচিত।
একাত্তর/এসি