বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের কারণ নিহিত গাজীপুরে

ভোগান্তির আরেক নাম বিমানবন্দর সড়ক। এই সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে লাখো মানুষকে। দুই ঘণ্টায়ও উত্তরা থেকে মধ্য ঢাকায় পৌঁছানো যাচ্ছে না। 

শেষ পর্যন্ত পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে অনেক মানুষকে। উত্তরায় বাস রেপিড ট্রানজিটসহ অন্যান্য উন্নয়ন কাজের কারণেই সড়কের এই নিত্য ভোগান্তি। 

রুবা চৌধুরী। হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসেছেন। যাবেন বিমানবন্দর। কিন্তু দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়ে কুর্মিটোলাতেই কেটে যায় তার দুই ঘন্টা। 

এদিকে তার ফ্লাইটের সময়ও হয়ে এসেছে। শেষ পর্যন্ত কুর্মিটোলা থেকে পাঁয়ে হেটেই তিনি পথ ধরেন বিমানবন্দরের, শেষ পর্যন্ত ফ্লাইট ধরতে পারলেন কিনা, সেটা জানা যায়নি। 

তার মতো এমন অনেককেই গাড়ি ছেড়ে হাঁটা পথেই বিমানবন্দর যেতে হয়েছে। সকাল ৯টা থেকেই স্থবির হয়ে পড়ে বিমানবন্দর সড়ক। 

বিজয় স্মরনী থেকে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত দীর্ঘ ছিলো গাড়ির জট। সকাল ৯টায় যে গাড়িটি বিজয় স্মরণী ছিলো। সেটি বিমানবন্দর পৌছায় বেলা বারোটায়। 

শুধু গাড়ি কেন গণপরিবহনেও একই অবস্থা। ঘন্টার পর ঘন্টা বাসে বসে থেকে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি মাথায় করে পাঁয়ে হেটেই গন্তব্যে পৌছান বহু মানুষ। 

কিন্তু কেন এই সড়কে দুর্ভোগ চরমে উঠলো, সেই কারণ খুজতে গিয়ে জানা গেলো গাজীপুরের চেরাগআলী থেকে মিলগেট পর্যন্ত সড়কে সংস্কার কাজ চলছে। 

ফলে সেখানেই গতি হারাচ্ছে গাড়ি। যার প্রভাব পড়ছে রাজধানীমুখী বিমানবন্দর সড়কেও। আর উত্তরা আব্দুল্লাহপুরে বিআরটি প্রকল্পের কারণে ভোগান্তিতো আছেই। 

এমনিতেই বৃষ্টিতে ঢাকার রাজপথে তৈরি হয় বহুমুখী ভোগান্তি। সড়কে ছিলো জলজট। যানজট দীর্ঘ হওয়ার এটি ছিল আরেক কারণ।

এদিকে সকাল থেকে রাজধানীজুড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি ভোগান্তির মাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সব মিলিয়ে ত্রাহী অবস্থা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সড়কে চলাচলকারীদের।

একাত্তর/এআর