রাজধানীর উত্তরা-বিমানবন্দর সড়কে গত কয়েকদিন ধরেই অসহনীয় যানজট হচ্ছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ও বেহাল সড়কের কারণে এই যানজট হচ্ছে।
বৃষ্টি হলে ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন দুর্ভোগে পড়া কর্মব্যস্ত মানুষ। রোববার (২ অক্টোবর) এই সড়কে ভয়াবহ যানজট দেখা দিলেও সোমবার (৩ অক্টোবর) তা কিছুটা কম।
বিমান বন্দরের ছয় লেনের সড়ক সরু হয়ে কখনও দুই লেন, আবার কখনও তিন লেনে গাড়ি চলাচল করে। এ কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
বনানী থেকে বিমানবন্দরমুখী এবং উত্তরা থেকে বিমানবন্দরমুখী সড়কেই যানবাহনের চাপ অনেক বেশি। কখনও স্থবির আবার কখনও ধীর গতিতে চলছে যানবাহন।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে যানবাহনগুলোকে। অতিষ্ঠ হয়ে এক পর্যায়ে পায়ে হেঁটেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে যাত্রীদের গন্তব্যের দিকে রওনা দিতে দেখা গেছে।
এই সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা জানাচ্ছেন, ঢাকা থেকে গাজীপুরমুখী যানবাহনের মাত্রাতিরিক্ত স্থিরগতির কারণে সড়কের উভয়পাশেই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর ভেতরের সড়কগুলোতে। বিমানবন্দরমুখী গাড়ির জটলা বনানী ছাড়িয়ে পড়ে মহাখালী পর্যন্ত। অন্যদিকে মাঝেমধ্যে বাড্ডা এলাকা ছাড়িয়ে যায় যানজট।
ভোর থেকে রাজধানীতে বৃষ্টি। সেই সঙ্গে বিমানবন্দর সড়ক ও মহাখালী-বনানী-উত্তরা সড়কে যানজট শুরু হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে যানজটের তীব্রতা।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থেকে উপায় না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে ছুটছেন যাত্রীরা। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে যানজট নিরসনে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ।
পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ বলছে, এই যানজটের প্রধান কারণ, উত্তরা এলাকায় বিআরটিএ’র প্রকল্প। প্রকল্পের কাজের জন্য সড়কে বড় বড় গর্ত হয়েছে। এসব গর্তে জমেছে পানি।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার
এই পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর হয়ে টঙ্গি বা গাজীপুরের দিকে যানবাহন দ্রুত গতিতে চলতে পারছে না। ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট।
যাত্রীদের কাছে থেকেও প্রায় একই কারণ জানা গেছে। সেই সঙ্গে সড়কটির ওপর চলমান একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত শেষ করার তাগাদাও দিয়েছেন তারা।
একাত্তর/এসজে