প্রশ্নফাঁসের কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০টি পদে জনবল নিয়োগের জন্য শুক্রবার নির্ধারিত পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে। প্রশ্নফাঁস ঘটনায় বিমানের অফিস কর্মচারীসহ পাঁচ জনকে এরিমধ্যে আটক করা হয়েছে।
লিখিত পরীক্ষা শুক্রবার বিকাল ৩টায় উত্তরার তিনটি স্কুলে হবার জন্য স্থান নির্ধারিত ছিল। তবে দুপুর দুইটার দিকে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় বিমান।
বিমান বাংলাদেশের এমডি ও সিইও মো. জাহিদ হোসেন জানান, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় চাকরিপ্রার্থীদের স্বার্থে ও নিয়োগের স্বচ্ছতার জন্য দ্রুত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রার্থীদের মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দিয়ে পরবর্তী তারিখ জানানো হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জুনিয়র অপারেটর জিএসই (ক্যাজুয়াল), জুনিয়র টেইলর কাম আপহোলস্টার, প্রি প্রেস অ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়র এয়ারকন মেকানিক, জুনিয়র ওয়েল্ডার জিএসই, জুনিয়র পেইন্টার জিএসই, জুনিয়র মেকানিক (টায়ার) জিএসই, জুনিয়র এমটি মেকানিক, জুনিয়র মেকানিক জিএসই (ক্যাজুয়াল) এবং জুনিয়র ইলেকট্রিশিয়ান জিএসই (ক্যাজুয়াল) পদের নিয়োগের জন্য ২১ অক্টোবর পরীক্ষার তারিখ ঠিক করা হয়।
কিন্তু প্রশ্নফাঁসের খবর আসায় শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। বিমানের এমডি বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগেই স্থগিত করা হয়েছে। যেহেতু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে একটি তদন্ত চলছে, তাই আমরা পরীক্ষা স্থগিত করেছি।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ, এতে কোনো বিমানকর্মী জড়িত থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: বড় ভাইদের প্রভাব বলয়ে আবারো সক্রিয় কিশোর গ্যাং
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান ফাইন্যান্সিয়াল কর্মকর্তা নওশাদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
একাত্তর/এসি