চার বছরে সব লেনদেনে কিউআর কোড চালুর উদ্যোগ

২০২৭ সালের মধ্যে বাজারে নগদ টাকার লেনদেন ৭৫ শতাংশ কমাতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সে লক্ষ্যে এরইমধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং, এটিএম কার্ড ও সবশেষ চালু হলো কিউআর কোড সেবা। 

কিন্তু, এই সেবার সুবিধা পেতে গ্রাহকদের দরকার ইন্টারনেটসহ স্মার্ট ফোন। যা কম আয়ের বড় জনগোষ্ঠীর কাছে এখনও অধরা। ফলে এই সেবার পুরো সুবিধা মিলতে সময় লাগবে।

মাসখানেক আগে কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন পদ্ধতি চালু হয় রাজধানীর মতিঝিলের ফুটপাতের দোকানগুলোতে। তবে নিয়ে তাদের মধ্যে পাওয়া গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

সেখানে সব দোকানির কাছে প্রশ্ন ছিলো- গ্রাহকরা কতোটা আগ্রহী এ সেবা নিতে। তারা বলছেন, এক জিবি ইন্টারনেটের চড়া খরচ আর ঝুঁকির বিবেচনায় এমন লেনদেনের আগ্রহ পান না তারা। 

এবিবি’র চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, করোনা পরবর্তী প্রচলিত যে ব্যাংকিং ব্যবসা তা থেকে বেরিয়ে গ্রাহকদের জন্য এমন সেবা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

এক্ষেত্রে অবকাঠামো ও নিরাপত্তা খাতে বাড়তি বিনিয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন সাবেক ব্যাংকাররা। 

ব্যাংক এশিয়ার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী বলেন, দেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ এখনো ব্যাংকিং সেবার বাইরে, তাদের ক্যাশলেস সার্ভিসে যুক্ত করা বেশ কঠিন।  

আরও পড়ুন: ২১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যদিও এসব বাধাকে উপেক্ষা করে ২০২৭ সালের সালের মধ্যে কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস লেনদেন চালু করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে নিদিষ্ট ব্যাংকের অ্যাপের মাধ্যমে মাস্টার কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট অথবা প্রিপেইড কার্ড থেকে সবধরনের আর্থিক লেনদেন করতে ‘বাংলা কিউআর’ কোড পেমেন্ট সিস্টেম চালু করতে সব ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস কোম্পানিকে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


একাত্তর/এসজে