যাত্রীদের চলাচলের সুবিধায় নিজেদের আওতায় থাকা রাজধানীর মেট্রোরেলের প্রতিটি স্টেশনকে সমন্বিত যোগাযোগ কেন্দ্র বানাতে চায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। আর এই প্রকল্পে আর্থিক সহযোগিতা করতে রাজি হয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।
সোমবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুরে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট ফর ইনফ্রাস্ট্রাকচার গুয়াঝে চেনের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এ বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রতিনিধি দলে থাকা উত্তর সিটির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম প্রজেক্ট সম্পর্কে বলেন, আমাদের মেট্রোরেলের নিচের রাস্তার উন্নয়ন হলেও স্টেশনের সঙ্গে সংযোগ সড়কগুলো দিয়ে আসা-যাওয়ায় এখন তেমন ভালো ব্যবস্থা নেই।
কিন্তু, পৃথিবীর উন্নত শহরে মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের আসা-যাওয়ায় সমন্বিত করিডোর ব্যবস্থা থাকে। সেই আদলে ঢাকার মেট্রো স্টেশনগুলোকে বহুমুখী যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ প্রকল্পে আর্থিক সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক।
সব কিছু ঠিক থাকলে, আগামী নভেম্বরে আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি বিশ্বব্যাংকের বোর্ডে অনুমোদনের কথা রয়েছে। এতে, প্রায় এক কোটি ৫০ লাখ ডলার সহযোগিতা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।
যাত্রী ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধায় ঢাকা উত্তর সিটির আওতায় থাকা মিরপুর-১২ থেকে বাংলামোটর পর্যন্ত মেট্রোরেলের প্রতিটি স্টেশনকে সমন্বিত যোগাযোগ কেন্দ্র বানাতে ইন্টিগ্রেট করিডরস ম্যানেজমেন্ট (আইসিএম) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কাজ করবে বিশ্বব্যাংক।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে বিশ্বব্যাংকের ট্রান্সফরমিং ট্রান্সপোর্টেশন সম্মেলনে ঢাকার বাস্তবতায় আগামীর গণপরিবহন নিয়ে বক্তব্য রাখবেন মেয়র আতিক। এতে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন শহরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়সহ আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে মতামত রাখবেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের ট্রান্সফর্মিং ট্রান্সপোর্টেশন সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়রের নেতৃত্বে একটি দল ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করছে।
একাত্তর/এআর