পুড়ে যাওয়ার ২২ দিনেও দোকান ঠিক করতে পারেননি ঢাকা নিউ সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। এখনও চলছে, সিমেন্ট-বালুর আস্তরন আর সাটার লাগানোর কাজ। দেয়া হয়নি বিদ্যুৎ সংযোগ।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় তালার পুড়ে যাওয়া দোকান নতুন করে সাজাতে ব্যস্ত দোকানিরা। আগুনে পুড়ে সর্বস্ব হারানো ব্যবসায়ীরা বললেন, শুধু আশ্বাস ছাড়া, কোন ‘সাহায্য-সহযোগিতা’ পাননি তারা।
রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটের তিল তলায় ঢুকলিই নাকে আসবে পোড়া কাঠ-কয়লার গন্ধ। শোনা যাবে হাতুড়ি বাটালির ঠক ঠক আওয়াজ। দোকান সাজাতে ব্যস্ত মিস্ত্রিরা।
আগুন লাগার ২২ দিন পরেও দোকানগুলো প্রস্তুত করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এখনও দেয়ালে পোড়া দাগ। আগুনে ক্ষতের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙাচোরা শোকেস, ঝুলছে ফ্যান।
ঢাকা নিউ মার্কেটে ১৩শ’ দোকানের মধ্যে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে ২শ’ ৪৩টা দোকান। নিঃস্ব হয়েছেন তারও বেশি ব্যবসায়ী। যারা চেষ্টা করছেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে।
ব্যবসায়ীরা বললেন, শুধু আশ্বাসের ফুলঝুড়ি ছাড়া ভাগ্যে এখনও কিছু জোটেনি তাদের! ফলে, ধার-দেনা করে সারাই করতে হচ্ছে দোকান।
দোকানে মালামাল তোলার অপেক্ষায় দোকানিরা। তবে কীভাবে মালামাল তুলবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা। কিছু দোকাকে শুরু হয়েছে বিকিনিনিও।
আরও পড়ুন: ফলে ইয়াবা ভরে বিক্রি, ৪৫০০ পিসসহ গ্রেপ্তার দুই
ধসে পড়ার আশঙ্কা আর আগ্নিঝুঁকিতে থাকায় নিউ সুপার মার্কেটকে ২০০৭ সালে ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় ওঠায় সিটি করপোরেশন। কিন্তু নানা বাধায় খালি করা সম্ভব হয়নি এই মার্কেট।
১৫ এপ্রিল ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে নিউ সুপার মার্কেটে ঘটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এতে ফায়ার সার্ভিসের ৩০টি ইউনিটের কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
একাত্তর/আরবিএস