উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে চিফ হিট অফিসারের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, চিফ হিট অফিসার নামে সিটি কর্পোরেশনে কোন পদ নেই, নেই কোন দপ্তরও। এজন্য ডিএনসিসি কোন অর্থ ব্যয় করবে না।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরা চার নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির মাঠে আয়োজিত ডিএনসিসি মেয়রস কাপ টুর্নামেন্টের ভলিবল বিভাগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন প্রসঙ্গে মেয়র আতিক বলেন, এটি দেশের জন্য গর্ব। এশিয়ার মধ্যে বুশরা আফরিনকে প্রথম চিফ হিট অফিসার হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। কিন্তু তার সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কোনো সম্পর্ক নেই। চিফ হিট অফিসার নামে কোনো পোস্টও নেই।
তিনি আরও জানান, উত্তর সিটি করপোরেশন তার কোনো বেতন ভাতা বা গাড়ির সুবিধা দেবে না। তার জন্য সিটি করপোরেশনে কোনো অফিস বা চেয়ারও নেই। তার যা যা দরকার সব দেবে অ্যাড্রিয়েন আর্শট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের রেজিলিয়েন্স সেন্টার।
আতিকুল ইসলাম বলেন, বুশরা আফরিন আমার মেয়ে। আমি তাকে বলেছি, বাবা তুমি শক্ত থাকো। কারণ আমি ও আমার মেয়ে জানি যে সিটি করপোরেশন থেকে কোনো সুবিধা নেয়নি। বুশরা সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায় অফিসার হয়েছে। সে ইসলাম গার্মেন্টস গ্রুপের ডিরেক্টর। সে তার নিজের ব্যবসা, কাজ ফেলে রেখে চিফ হিট অফিসার হিসেবে কাজ করবে।
উত্তর সিটির মেয়র বলেন, বুশরা এখানে কার ছেলে বা কার মেয়ে সেটি মুখ্য নয়। এশিয়ার মধ্যে চিফ হিট অফিসার হিসেবে একজন নারী নিয়োগ পেয়েছেন এটা কিন্তু একটি বড় মেসেজ। তাই আমাদের গর্ব করা প্রয়োজন।
এ সময় মেয়র আতিক আরও বলেন, আমরা বুঝতে পারছি যে কী হিটের (গরম/তাপদাহ) মধ্যে আছি। তাই পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে পাড়া মহল্লায় আমরা দুই লাখ গাছ লাগাব। এ জন্য নগরবাসীর সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, খালগুলো উদ্ধার করে পানি প্রবাহের চেষ্টা করছি। গাছ ও পানির প্রবাহ- মিলে প্রাকৃতিকভাবেই শহর ঠাণ্ডা রাখা যাবে।
উত্তরা চার নম্বর সেক্টরে সড়কের চারপাশ দেখিয়ে মেয়র আতিক বলেন, এসব গাছগুলো কাটার প্রক্রিয়ায় ছিল। কিন্তু আমি গাছ কাটিনি। গাছ না কেটে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করেছি। তিনি বলেন, তাই পরিবেশ বাঁচাতে হলে গাছ লাগাতে হবে। আর যদি কেউ গাছ কাটে, তবে আমি তার হাত কেটে দেব- এটা আমার মেসেজ।
একাত্তর/আরবিএস