যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকিয়ে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট: বেবিচক

নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় থাকা ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু সরকারের এই মেয়াদে সম্ভব হবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। তিনি বলেছেন, এটি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর। 

শনিবার দুপুরে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বেবিচক চেয়ারম্যানের সঙ্গে ‘এটিজেএফবি ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

শাহজালাল বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ জাপানকে দেয়া হয়েছে জানিয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু কবে নাগাদ হবে তার দিনক্ষণ বলা যাচ্ছে না। নিরাপত্তা ও অন্য ইস্যুতে বাংলাদেশ সবই করেছে। বাকিটা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালে এই ফ্লাইট বন্ধ হবার পর আবারও চালু করতে বিমানের আবেদন করতেও অনেক দেরি হয়েছে। বিমানবন্দরে যাত্রী সেবার আন্তর্জাতিক মান অর্জনে আমরা অঙ্গিকার বদ্ধ।

বঙ্গবন্ধুর নামে বিমানবন্দর করার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, বিষয়টি বিবেচনাধীন। আগামী ২০৩৫ সালে চাপ বাড়লে তখন ভাবা হবে। তবে সিলেট, সৈয়দপুর ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ভালোভাবে চালু হলে কেন্দ্রীয় বিমানবন্দরে চাপ কমবে। 

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ নিয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, জমি অধিগ্রহণসহ যাবতীয় কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাজেট সঙ্কেটর কারণে সেই কাজ এখন করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: ভাড়া খাওয়া ছাড়া রাজউক নগর উন্নয়নে কী করেছে: মন্ত্রী

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি পর্যবেক্ষক দল ঢাকা ও সিলেট বিমানবন্দর পরিদর্শন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলে জানান বেবিচক চেয়ারম্যান। 


একাত্তর/এসি