সাগর-রুনি হত্যা: প্রকৃত আসামি এখনও শনাক্ত হয়নি

সাংবাদিক সম্পতি সাগর-রুনি হত্যার প্রকৃত আসামি এখনও শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে র‌্যাব। সংস্থাটি জানিয়েছে, আমেরিকা থেকে দুই জনের ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদন এসেছে। তাদের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু শনাক্ত না করতে পারায় প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। 

সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, ২৫ জনের আলামত সংগ্রহ করে ডিএনএ রিপোর্টের জন্য আমেরিকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে দুই জনের বিষয়ে আমরা তথ্য পেয়েছি। তবে এখনও তাদের শনাক্ত করতে পারিনি। তদন্তকারী কর্মকর্তা এখনও নিশ্চিত নয় হত্যায় কারা জড়িত ছিল। 

তিনি বলেন, আমরা কোনো ধরনের বিতর্কে জড়াতে চাচ্ছি না। ওই দুই জনকে শনাক্ত করতে পারলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো। 

এদিকে শততম বারের মতো পিছিয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১১ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।


২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলাটি শেরে বাংলা নগর থানার মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়। এরপর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা হিসেবে ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশকে এটির তদন্তভার দেওয়া হয়। 

আরও পড়ুন: সাংবাদিক নাদিম হত্যায় পাঁচ আসামির জামিন নাকচ

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। এরপর ২০১৪ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে আলোচিত এই হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের ওপর ন্যস্ত করা হয়।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আট জনকে আসামি করা হয়। বাকি আসামিরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। 


একাত্তর/এসি