ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর হার কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ের শেষ ও আগস্টের প্রথম ভাগের তুলনায় চলতি সপ্তাহে ঢাকা মেডিকেল, মুগদা জেনারেল ও মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালে কমেছে চাপ।
তবে, ঢাকার বাইরে থেকে সঙ্কটাপন্ন অনেক রোগী আসছেন এসব হাসপাতালে। চিকিৎসকরা বলছেন, আপাতত রোগী কমলেও পরিস্থিতি আবার খারাপের দিকে যেতে পারে।
মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে গত তিনদিন গড়ে ৬৪ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। যদিও চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রতিদিন ৯০ থেকে একশ’ জন নতুন রোগী ভর্তি হতেন।
ফলে রোগীর চাপ এখন কিছুটা কম। বুধবার দুপুর পর্যন্ত ডিএনসিসি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলো ২০৯ জন। জুলাইয়ে একদিনেই এই হাসপাতালে ভর্তি হয় সর্বোচ্চ ৩৭০ জন।
ঢাকা মেডিকেল ও মুগদা জেনারেল হাসপাতালেও চিত্রটা প্রায় একই। ঢাকা মেডিকেলে মঙ্গলবার পর্যন্ত রোগীর ছিলো ৩৬৬ জন। এর একদিনে আগেই সংখ্যাটা ছিলো ৪১৪।
মুগদা হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা এখন ৩৭৫। যদিও জুলাইয়ে ছয়শ’র বেশি ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলো মুগদায়। সব মিলে ডেঙ্গুর চলমান ঢেউ কিছুটা নিম্নমুখী, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এখনও রোগী আসছেন ঢাকার বাইরে থেকে। সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় তারা আসেন। মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কর্নেল এ কে এম জহিরুল হোসাইন খান বলছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের ৪০ শতাংশই ঢাকার বাইরের।
তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে বেশ কিছু রোগী একদম শেষ মুহূর্তে আসেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা হাসপাতালে পৌঁছতে পৌঁছতেই মারা যান।
তবে, রোগীরা বলছেন- জেলার হাসপাতালে ভর্তি না হতে পেরে অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা ঢাকা আসছেন।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ২১৪৯ জন
আপাতত ডেঙ্গু কিছুটা নিম্নমুখী মনে হলেও, পরিস্থিতি আবারও খারাপ হতে পারে। আগস্ট, সেপ্টেম্বর ছাড়িয়ে ডেঙ্গুর মৌসুম এবার অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।
একাত্তর/আরএ