এক এগারোর পর থেকে একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল বিএনপিকেনিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জাফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তারই ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েজিয়া পরিবারকে শেষ করে দেয়া হচ্ছে বলেও মনে করেন তিনি।
শনিবারজাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পেশাজীবীদের এক সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
গতবুধবার ঘোষিত আয়ের বাইরে সম্পদের মালিক হওয়ার মামলায় বিএনপিরভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দুই ধারায় ৯ বছরের কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রীজোবায়দা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। ওই রায়েরপর বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করে। তাদের অভিযোগ, রায় ‘ফরমায়েশি’।
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিকউদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় তাদের নেতার বিরুদ্ধে সাজানো রায় হচ্ছে। দলটির এই অভিযোগ অস্বীকার করে সরকারের পক্ষ থেকে বলাহচ্ছে, দেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং আদালতের উপরনির্বাহী বিভাগের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
পেশাজীবীদেরসমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘নির্যাতন, গুম,খুন করে বিএনপির আন্দোলন স্তব্ধ করা যাবে না। সরকারস্বাধীনতা-গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না।’
তারা গত দুটি নির্বাচনকে হাস্যরসে পরিণত করে গায়ের জোরেএকতরফাভাবে ক্ষমতায় টিকে আছে। আবারও তারা সেই নির্বাচন করতে চায়। পুলিশ, প্রশাসনসবকিছুকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় আসতে চায় আবারও, এবার আর তাহবে না। সরকারের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচন মানে শেয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেয়ার মতো। এবারের নির্বাচন জনগণের ভোটে হতে হবে। বর্তমান সরকার থাকলে তা সম্ভবনা।
সরকারেরসমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার,মামলা এখনও চলছে। আন্দোলনের উত্তালতরঙ্গের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকারকে সরিয়ে দিতে হবে। জনগণ এই সরকারকে পরাজিত করবে।জনগণ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।’
সমাবেশথেকে বিচারকদের ন্যায় বিচার নিশ্চিতের আহ্বানও জানান ফখরুল।
বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব সাংবাদিক নেতা কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-উপাচার্য আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, সাংবাদিক নেতা কামাল উদ্দিন সবুজ, সৈয়দ আবদাল আহমেদ।
একাত্তর/কেএসএইচ