সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের জন্য বিএনপি-জামায়াতকে রাজপথেই মোকাবেলার ঘোষণা দিয়েছে ১৪ দল। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে এক সমাবেশে নেতারা বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি নিজেদের মন মতো সংবিধান বানাতে চায় কিন্তু তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।
সকাল থেকেই রাজধানীতে চলছে থেমে থেমে বৃষ্টি। এই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যোগ দেন ১৪ দলের শান্তি সমাবেশে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি কখনো দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়নি, তাই তারা বারবার জ্বালাও-পোড়াও করছে।
সমাবেশে জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আক্তার বলেন, নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। এর বাইরে কোন কথা হতে পারে না।
সমাবেশে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে সংবিধানে হাত দিয়েছিলো বিএনপি। আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত সংবিধানে হাত দিতে চায়। সংশোধনের নামে পাকিস্তানি সংবিধান বানাতে চায় তারা।
তিনি বলেন, দেশে কোনো ষড়যন্ত্র স্থায়ী হতে পারেনি। তাই কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের মাটিতে টিকবে না। আগামীতেও গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, সংবিধান রক্ষায় প্রয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার আবার গর্জে উঠবে। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও অঙ্গীকার রক্ষা করবে মুক্তিযোদ্ধারা।
মায়া বলেন, ‘যারা নির্বাচন বানচাল করতে চাইবে তাদের দেশের মাটিতে কবর হবে। কোন বিদেশি প্রভু রক্ষা করতে পারবে না।’
সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
১৪ দলের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ বিকেল সাড়ে ৪ টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে থেকেই বৃষ্টিতে ভিজে নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে। ব্যানার-ফেস্টুন আর মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে সমাবেশস্থল।
সমাবেশে নেতারা বলেন সংবিধান রক্ষায় যেকোন ত্যাগ স্বীকার করবে ১৪ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। তাদের সাফ কথা সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোন নির্বাচন দেশে হবে না।
একাত্তর/এআর