দোয়া নিতে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদের বাসায় গেছেন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাঈদ খোকন।
সোমবার দুপুরে ধানমন্ডিতে কাজী ফিরোজ রশীদের বাসায় যান সাঈদ খোকন। এ সময় তারা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান।
ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় মোহাম্মদ সাঈদ খোকনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান কাজী ফিরোজ রশীদ।
ফিরোজ রশীদ ঢাকা-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের আসন সমঝোতায় রোববার নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন এই আসনের দুইবারের সংসদ সদস্য ফিরোজ রশীদ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফিরোজ রশীদ বলেন, ঢাকা-৬ আসনে সাঈদ খোকন যখন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন, তখনই তার বিজয় সুনিশ্চিত হয়ে গেছে। সে পুরান ঢাকার সন্তান। এই এলাকার সবাই তার বাবার আপনজন। এখন শুধু ৭ জানুয়ারি ভোটের দিনের অপেক্ষা। সে আমার নির্বাচনের সময় (২০১৮) সর্বাত্মকভাবে পাশে ছিলো। আমিও মাঠ পর্যায়ের আমাদের জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মী নিয়ে তার পাশে থাকবো।
সাঈদ খোকন সাংবাদিকদের বলেন, কাজী ফিরোজ রশীদ আমার চাচা। তিনি আমার প্রয়াত পিতা মেয়র মোহাম্মদ হানিফের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন। এক সময় তারা এক সঙ্গে রাজনীতি করেছেন, দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক আমাদের। আমি যখন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলাম, তখন আমাদের এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে আমাদের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। আমরা দুজনই একসঙ্গে পুরান ঢাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, সেবা করেছি।
তিনি বলেন, আজকে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিন কাজী ফিরোজ রশীদের কাছে দোয়া ও সমর্থনের জন্য এসেছি। তিনি আমাদের সাথে থাকার কথা ব্যক্ত করেছেন। আমি নির্বাচিত হতে পারলে ঢাকা-৬ আসন নিয়ে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবো।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-৬ আসনে একজন প্রার্থী হিসেবে অন্য প্রার্থীদের ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। যারা এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন, তাদেরকে আমি সিরিয়াসভাবেই নেবো এবং আমার বিজয় সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমি কাজ করে যাবো। সবাইকে আমার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই বিবেচনা করবো।
মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এর আগে বেলা ১১টায় আজিমপুর কবরস্থানে মেয়র মোহাম্মদ হানিফের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন ।