আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার রাজধানীর শ্যামলীতে নির্বাচন বিরোধী গণসংযোগে এ আহ্বান জানান তিনি।
রিজভী বলেন, ‘অবৈধ নির্বাচন করতে চাচ্ছে শেখ হাসিনা। এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এটা গোটা জাতির বিরুদ্ধে একটা প্রতারণা।’
মহিলা দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় তিনি নির্বাচন বিরোধী লিফলেট বিতরণ করেন।
আর বিকেলে অনলাইন ব্রিফিংয়ে রিজভী দাবি করেন, আওয়ামী লীগ প্রতিবেশী এক দেশের খপ্পরে পড়ে দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিচ্ছে।
আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট। সরকারের পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অধীনে ভোটের দাবিতে নির্বাচনের তফসিল বর্জন করেছে বিএনপি।
ভোট বর্জনের ডাকে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে এদিন কাকরাইলে কর্মসূচি পালন করে গণতন্ত্র মঞ্চ। সমাবেশে গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে ছিলো ছয়টি রাজনৈতিক দল।
সেখানে নেতারা বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো এবারও বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ দেশের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, তাদের (আওয়ামী লীগ) জন্য যেটা খেলা, দেশের জন্য সেটা দুর্যোগ। তাদের জন্য যেটা রঙ্গ-তামাশা, দেশের জন্য সেটা গজব।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, যতো আপনাদের বাহাদুরি, এই রাজনৈতিক দল হিসাবে, এই দেশের মানুষের মন থেকে আপনারা উচ্ছেদ হয়ে যান কিনা, সেই ব্যবস্থাই আজকে করছেন।
আর নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্না বলেন, দুনিয়ার কেউ আপনাদের সঙ্গে ব্যবসা করবে না। গার্মেন্টস কিনবে না। আপনি এখান থেকে রপ্তানি করতে পারবেন না। আপনাকে কেউ সাহায্য করবে না।
এদিকে পল্টনে পল্টনে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, শান্তিনগরে ১২ দলীয় জোট এবং কাকরাইলে নুরুল হক নুরের গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মিছিল করে।
প্রেসক্লাবে গণসংযোগের সময় বিএনপি নেতা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, সাত তারিখের নির্বাচনে মানুষ অংশগ্রহণ করবে না।