‘বিএনপির কাছে ২০ আসন চায় এনসিপি, চায় মন্ত্রিসভায়ও হিস্যা’- শিরোনামে দৈনিক প্রথম আলোর আলোচিত খবরটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানানো হয়।
এনসিপি বলছে, দলটি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট, আসন সমঝোতা বা ক্ষমতা ভাগাভাগি বিষয়ে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নেয়নি। এমন কোনো প্রস্তাবও দলের নীতি নির্ধারণী পর্ষদে কখনও গৃহীত হয়নি।
এনসিপি বিশ্বাস করে, দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি হবে জনগণের অধিকার, জবাবদিহিতা, সংস্কার ও গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের রাজনীতি। সে লক্ষেই দলটি সারাদেশে সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও প্রার্থী যাচাই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লিখিত ‘সূত্র’কে সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর এবং সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছে এনসিপি। দলটি মনে করে, এতে জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছে এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
একই সঙ্গে ওই প্রতিবেদনের জন্য অবিলম্বে দুঃখপ্রকাশ ও সংশোধনী প্রকাশের আহবান জানিয়েছে দলটি।
শেষে এনসিপি আবারও দাবি করে, তারা কোনো দলের কাছে আসন বা মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণের দাবি তোলেনি। দলটি জনগণের আস্থায় একটি বাংলাদেশপন্থি, দায়িত্বশীল ও স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অতিসম্প্রতি এনসিপি ঘোষণা করেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে আসনগুলোতে ভোটে লড়বে সেখানে প্রার্থী দেবে না জুলাই-আগস্টে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দলটি। এরপরই সংবাদমাধ্যমে আসন ভাগাভাগিসহ কেবিনেটে হিস্যার দাবি নিয়ে খবর প্রকাশিত হলো।